১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | বৃহস্পতিবার | বর্ষাকাল | সকাল ৭:৫৭
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ!
কুষ্টিয়ায় আরও ৯ জনের মৃত্যু। রেকর্ড শনাক্ত

কুষ্টিয়ায় আরও ৯ জনের মৃত্যু। রেকর্ড শনাক্ত

শাহীন আলম লিটন :

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। রেকর্ড শনাক্তের দিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯ জনের। কুষ্টিয়া জেলায় এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। ৮৩০ নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.০৩ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও কুষ্টিয়া জেলা সিভিল সার্জন অফিস থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে কুষ্টিয়া জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু ২১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৫৩৫ জন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ০৩ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ৩২৪ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ১১৩ জন, কুমারখালীর ৫৪ জন, দৌলতপুরের ৪৯ জন, মিরপুরের ৩৩ জন, ভেড়ামারার ৫২ জন এবং খোকসার ২৩ জন রয়েছেন। মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে একজন ভেড়ামারা উপজেলার এবং ২ জন করে সদর উপজেলা, দৌলতপুর, কুমারখালী এবং মিরপুর উপজেলার বাসিন্দা।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে বাড়ছে করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর চাপ। চাপ সামলাতে সবাইকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের প্রায় প্রত্যেককেই অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে হচ্ছে।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে বর্তমান সময়ে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। সম্প্রতি কুষ্টিয়া পৌরসভায় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু এখানে কঠোর লকডাউন চলছে। এরপরও কেন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তা নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। করোনার সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বেশ কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024